Tuesday, December 10, 2013

নীল মানব সবুজ মানবী

"৩৫৫৫ খ্রিস্টাব্দের ২০ জুন।
নিস্তব্ধ রাত। চারদিক ঘন কুয়াশায় আচ্ছন্ন। অনেক আগেই ডুবে গিয়েছে পরাক্রমশালী নক্ষত্র জিউস। এখন আকাশের বুকে উপবৃত্তাকার উপগ্রহ ক্লিওপেত্রা একমনে আলো ছড়িয়ে যাচ্ছে। কুয়াশার স্বচ্ছ চাদর অতিক্রম করে খুব সহজেই সেই নরম আলো চারদিক জোছনাময় করে রেখেছে। কিন্তু কুয়াশার জন্য চারপাশটা একঘেয়ে রকমের শাদা লাগছে।

নিশিনা অসহায় দৃষ্টিতে আকাশের দিকে তাকায়। কুয়াশার সমুদ্রে গোটা আকাশে উপগ্রহ ক্লিওপেত্রাকে ভীষণ রকমের একাকী মনে হয় তার কাছে। অনেকটা তার নিজের মতই। সে তার নিজের ছয় ফুট উচ্চতার হালকা সবুজ রংয়ের শরীটা নিয়ে শুয়ে পড়ে এ-ফোর-এলের পাথুরে মাটির শক্ত প্রান্তরে। যদিও এটা তার জন্য ভীষণ বিপদজনক, এবং এ-ফোর-এল গ্রহের আইনানুযায়ী ছোটখাট অপরাধ, তবু সেদিকে বিন্দুমাত্র খেয়াল না করে একদৃষ্টে ক্লিওপেত্রার দিকে তাকিয়ে থাকে সে। আজ তার মন অসম্ভব রকমের খারাপ। কিন্তু সে সম্ভবত জানে না, তার মন খারাপ হওয়া মানে আমার গোটা বিশ্ব আলোকহীন হয়ে যাওয়া। যদি জানতো তাহলে আমার সামনে এভাবে মন খারাপ করে বসে থাকতে পারতো না।

শুরুটা হয়েছিল এখন থেকে ঠিক ১৫০০ বছর আগে পৃথিবীতে, অর্থাত্‍ আর্থ এ-জিরো-এ গ্রহে। তখন পর্যন্ত অবশ্য মানুষ পৃথিবীর বাইরে কোথাও কলোনি স্থাপন করতে পারে নি। ফলে তাদের চিন্তাভাবনা ছিল সংকীর্ণ আর স্বভাব ছিল আত্মকলহপূর্ণ। পৃথিবীকে ২০০ টির মতো আলাদা আলাদা ভুখণ্ডে ভাগ করে মানুষ বসবাস করতো, যেসবের নাম দিয়েছিল তারা রাষ্ট্র। এক রাষ্ট্রের মানুষ কাউকে না বলে আরেক রাষ্ট্রে ঢুকে পড়লে নাকি গোলাগুলি শুরু হয়ে যেত দুই রাষ্ট্রের মধ্যে! তাজ্জব সব কারবার চলত তখনকার রাষ্ট্রগুলির মধ্যে। যাই হোক, বাংলাদেশ নামে ছোট্ট একটা রাষ্ট্রের ছোট্ট একটা বিশ্ববিদ্যালয় পৃথিবীর ইতিহাসে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দুটি আবিষ্কার করে ফেলে পরপর দুই বছরে। ২০৫৩ সালে তারা আবিষ্কার করে কীভাবে জেনেটিক রিকম্বিনেশনের মাধ্যমে এককোষী প্রাণি এমিবাকে পুরোপুরি ফটোসিনথেটিক প্রাণিতে পরিণত করা যায়। আর ২০৫৪ সালে আবিষ্কার করে জাইগোট কোষে পরিমিত পরিমাণ গামা রে এবং ইলেক্ট্রিক শক ওয়েভ প্রদানের ফলে প্রাণিদের জেনেটিক কোড কী হারে পরিবর্তিত হয়।
বিশ্ববিদ্যালয়টির নাম ছিল শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়। এটি খুব একটা বিখ্যাত বিশ্ববিদ্যালয় ছিল না। তারা তখন বুঝতেও পারে নি যে কত বড় আবিষ্কার তারা করে ফেলেছে। কিন্তু তার পরের বছর যখন প্রতাপশালী রাষ্ট্র আমেরিকার বিখ্যাত হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের এক প্রফেসর এই দুটি আবিষ্কারের ভবিষ্যত্‍ নিয়ে প্রবন্ধ লিখলেন তখন গোটা পৃথিবীতে একটা আলোড়ন বয়ে গেল। তৎকালীন রাষ্ট্রনীতি, সমাজনীতি, আইন, ধর্মনীতি, বিজ্ঞান সবই এই আবিষ্কারের কারণে নতুন করে লিখতে হয়েছে পৃথিবীবাসীদের।

আমি, নিশিনা এবং আর্থ এ-ফোর-এলের প্রতিটা প্রাণি এই আবিষ্কারের ফসল। শুধু তাই না, মিল্কিওয়ে গ্যালাক্সির প্রায় ত্রিশটির মত আর্থ ক্যাটাগরির গ্রহে ভূপ্রকৃতি অনুসারে পাঠানো হয়েছে আমাদের মত প্রাণি। সবাই একই প্রজাতি না, তবে সবাই ফটোসিনথেটিক প্রাইমেট। বিরান নিষ্প্রাণ গ্রহে বাস করে নক্ষত্রের আলো শোষণ করে আমরা জীবন ধারণ করি, শক্তির চাহিদা মেটাই, আর মানবসভ্যতার জন্য বিভিন্ন অমূল্য সব খনিজ সংগ্রহ করি।

আমার নাম রিশান। আমার গায়ের রং গভীর নীল। আমি ফটোসিনথেটিক প্রাইমেটের হোমো স্পেসা প্রজাতির প্রাণি। আমাদের প্রজাতি তৈরিই করা হয়েছে মহাকাশ যানের উপযোগী করে। এ-ফোর-এল গ্রহে আমার প্রজাতির প্রাণি আছে দশজন। আমরা দশজন দশটি মহাকাশযান পরিচালনা করি। যানগুলো সাধারণত নিকটবর্তী একটা মাঝারি শক্তির ওয়ার্মহোল দিয়ে ৩০ আলোকবর্ষ দূরের একটা গ্রহ পর্যন্ত যায়, এবং সেখান থেকে এ-ফোর-এল বাসীদের জীবন ধারণের প্রয়োজনীয় পানি আর বিভিন্ন প্রতিষেধক নিয়ে আসে। গ্রহটার নাম আর্থ এ-ফোর-কে। সেখানে মানুষদের একটা কলোনী আছে। মানুষ আর রোবোটদের দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয় গ্রহটার সবকিছু। আমাদের, অর্থাত্‍ হোমো স্পেসা প্রাণিদের মর্যাদা অন্যান্য সব ফটোসিনথেটিক প্রাইমেটের থেকে বেশি, কিন্তু মানুষের থেকে কম।

সবকিছু ঠিকঠাক ভাবেই চলছিল। রোবটের মতো যান্ত্রিক জীবন কাটছিল এক মহাকাশ যান থেকে আরেক মহাকাশ যানে। কিন্তু গতবছর যখন আমাকে পাঠানো হল এ-ফোর-এল গ্রহের দায়িত্বে, তখনই ঝামেলাটা বাধলো।"

শুয়ে শুয়ে সেন্সেটিভ এয়ার-স্ক্রিনে রিশান এই পর্যন্ত লিখেছে, এমন সময় ঠিক পিছনেই শোনা গেল নিশিনার গলা।

-গত বছর যখন এ-ফোর-এল এ আসলে তখনই বাধলো ঝামেলাটা! তার মানে তুমি বলতে চাইছো আমিই সেই ঝামেলা?

রিশান সাথে সাথে এয়ার-স্ক্রিনের সুইচ বন্ধ করে দিল। ফলে তার একটু আগের লেখা কথাগুলো সহ স্ক্রিনটি শূন্যে মিলিয়ে গেল। তারপর একটু অপরাধী অপরাধী ভঙ্গি কণ্ঠে এনে সে বলল,
- কই আমি তো সে কথা লিখি নি নিশিনা। আর তুমি আমার জন্য ঝামেলা হতে যাবে কেন? আমি তো গতরাতে গোয়েন্দা রোবটের কাছে আমাদের ধরা পড়ে যাওয়ার কথাটাটা লিখতে যাচ্ছিলাম।

- কিন্তু আমি দেখেছি তুমি শেষ শব্দটা লিখেছো 'ঝামেলা'| আর তুমি মোটেও গোয়েন্দা রোবটের কথা লিখতে যাচ্ছিলে না। তুমি সত্যিই হয়তো আমাকে, আমাদের এই সম্পর্ককে ঝামেলা ভাবছো।

- কখনো না। আমি কখনোই আমাদের এই সম্পর্ককে ঝামেলা ভাবিনি। তুমি জানো . . .

রিশানকে শেষ করতে না দিয়েই কিছুটা উচ্চস্বরেই বলে নিশিনা,
- তাহলে তুমি এয়ার-স্ক্রিনে কেন লিখবে ঝামেলা?

রিশান বুঝতে পারে নিশিনা রেগে যাচ্ছে। কিছুক্ষণ আগে নিশিনা মন খারাপ করে গ্রাফিন কেভের বাইরে গিয়ে বসে ছিল। সেই মন খারাপ সম্ভবত এখন রাগে পরিণত হচ্ছে। তাই সে আর একটা কথাও না বলে নিশিনার পাশে গিয়ে তার হাতটা ধরে বসে থাকে।

এভাবে নিশ্চুপ মিনিট পাঁচেক কাটার পর হঠাত্‍ রিশান খেয়াল করে তার হাতের উপর উষ্ণ একফোঁটা জল পড়ল। তারপর আরেক ফোঁটা। নিশিনা কাঁদছে! রিশান নিশিনার পাশ থেকে উঠে ওর পায়ের কাছে মেঝেতে বসে পড়লো। তারপর ওর সবুজাভ মুখের দিকে তাকিয়ে খুব মৃদু স্বরে ডাকল,
- নিশিনা!
- হুম।
- আমি জানি তোমার ভয়টা কোথায়। তোমার কষ্ট আর তোমার অপরাধ বোধটাও আমি বুঝি।
- হুম।

- আমি আর তুমি আলাদা প্রজাতির। মানুষের তৈরি ফটো প্রাইমেট ল'র ৪.০৩ নম্বর ধারা অনুযায়ী আলাদা প্রজাতির কেউ কারো সঙ্গে যৌনসম্পর্ক স্থাপন করলে তা ক্ষমার অযোগ্য অপরাধ বলে গণ্য হবে। আর এই কারণেই আলাদা প্রজাতির মধ্যে ভালোবাসা নিষিদ্ধ। কিন্তু একটা জিনিস কি ভেবে দেখেছ, এইসব আইন কে তৈরি করেছে? এগুলো সব তৈরি করেছে মানুষ। তারা প্রতিটা জিনিস ব্যাখ্যা করেছে নিজেদের মতো করে। আমরা তা নিয়ে কি ভাববো, বা আমাদের কাছে তা কেমন লাগতে পারে তা কখনো ভেবেও দেখে নি।
- কিন্তু ওদের আইনটাও তো অযৌক্তিক কিছু না। তোমার আর আমার এই সম্পর্ক খুবই দৃষ্টিকটু আর অসংলগ্ন। আর আমাদের দুই জনের মধ্যে যে কখনো প্রজনন সম্ভব না তাও তো সত্য।
- নিশিনা, মানুষ ভালোবাসাকে নিয়ে কী ভাবে জানি না। কিন্তু তুমি কি ভালোবাসাকে যৌনতা আর প্রজনন দ্বারা সংজ্ঞায়িত করবে? আমার কাছে কি ভালোবাসা মানেই ভবিষ্যত্‍ বংশধর?
- জানি না। তবে জীবনের স্বার্থকতা তো প্রজননেই। আর তাছাড়া মানুষ আমাদের সৃষ্টি করেছে গ্রহ-গ্রহান্তরে মানুষের প্রজাতিকে ছড়িয়ে দেওয়ার জন্যই তো।
- ভুল নিশিনা। মানুষ আমাদেরকে তাদের প্রজাতি মনেই করে না। যদি মনে করতো তাহলে আমাদের তুচ্ছার্থকভাবে ফটো প্রাইমেট বলতো না, আমাদেরকে রোবটের মতো আজ্ঞাবহ দাস হিসেবে দেখতো না, আমাদের সমাজ, আমাদের আইন, আমাদের গ্রহ আমাদেরকেই তৈরি করতে দিতো। মানুষ আমাদের তৈরি করেছে খনিজ আবিষ্কার, খনিজ সংগ্রহ আর মহাকাশ গবেষণার সুবিধার জন্য। অন্তত গত ১৫০০ বছরের ইতিহাস তাই বলে।
- সবই বুঝলাম। কিন্তু এতক্ষণে হয়তো এ-ফোর-এলের গোয়েন্দা রোবট যা করার করে ফেলেছে। গতরাতে তোমার আর আমার একই গ্রাফিন-কেভে থাকার বিষয়টা এ-ফোর-কের মানুষদের কাছে ওয়ার্ম-মেসেজ হিসেবে পাঠিয়ে দিয়েছে।
- হুম। গতরাতেই যদি বার্তা পাঠায় তবে তার উত্তর আসতে আসতে আগামীকাল সকাল হয়ে যাবে। তবু আগামীকাল যদি আমার এ-ফোর-কে থেকে প্রতিষেধক আনার দিন হত, অন্তত মহাকাশযানটা নিয়ে দুজন পালানোর চেষ্টাটা করতাম। কিন্তু সেটারও কোন উপায় নেই।
- আর ভাবতে পারছি না! দুইটাই তো পথ। হয় শাস্তি, নয়তো আত্মহত্যা।

গভীর দুশ্চিন্তায় নিশিনার মুখ গাঢ় সবুজ রং ধারণ করে। আর ওদিকে রিশান এয়ারস্ক্রিন অন করে আবারো তাদের আত্মজীবনী লেখা শুরু করে।

ওদের মুহূর্তগুলো খুব দ্রুত কাটতে থাকে। বাইরে আকাশে উপবৃত্তাকার ক্লিওপেত্রা ধীরে ধীরে ডুবে যায় আকাশের দক্ষিণ কোণে। আর উত্তর কোণে দেখা দিতে থাকে জিউসের উজ্জ্বল রশ্মি। সকাল হয়ে যায়। নীল আর সবুজ রংয়ের দুই প্রজাতির দুটি ফটো প্রাইমেট দুরুদুরু বুকে অপেক্ষা করতে থাকে চরম মুহূর্তের জন্য। এ-ফোর-কে থেকে বার্তা এসে পৌঁছালেই আইন রক্ষাকারী রোবট এসে দাঁড়াবে তাদের কেভের সামনে।

এইরকম সংকটাপন্ন মুহূর্তেও একটা বিষয় নিয়ে দ্বিমত দেখা দিল নিশিনা আর রিসানের মধ্যে। নিশিনা বলছে রোবটরা কেভের সামনে আসা মাত্র লেজার রশ্মি দিয়ে সে আত্মহত্যা করবে। মানুষের কাছে কিছুতেই মাথা নত করবে না। আর রিশান বলছে, ওদের শাস্তি মাথা পেতে মেনে নেওয়াই ভাল। খুব বেশি হলে দুই বছরের জন্য নির্বাসন গ্রহে পাঠাবে। এর বেশি তো কিছু নয়।

এই বিষয় নিয়ে ওরা বাকবিতণ্ডা করছে, এমন সময় হঠাত্‍ সশব্দে কেভ রশ্মি জ্বলে উঠল। তার মানে কেভের দিকে কেউ এগিয়ে আসছে। নিশ্চয় আইন রক্ষাকারী রোবটের দল। নিশিনা কাঁপা কাঁপা হাতে লেজার তুলে নিল। রোবট দেখামাত্র সে আত্মহত্যা করবে। আর রিশান হঠাত্‍ কি ভেবে কেভের বাইরে উঁকি দিতে গেল।

আশ্চর্য! সায়ানা কেন কেভের সামনে দাঁড়িয়ে আছে? আজ তো ওর মহাকাশ যান নিয়ে এ-ফোর-কে তে যাওয়ার কথা প্রতিষেধক আনার জন্য। তবে ওকি আমাদের সাহায্য করতে এসেছে? ও যদি আমাদেরকে মহাকাশ যানটা দিয়ে দেয় তাহলে তো ওর মৃত্যুদণ্ডও হতে পারে। নাকি এখানে আসার পিছনে অন্য কোন কারণ আছে? কী সেই কারণ? -স্বপ্রজাতির ফটো প্রাইমেট সায়ানাকে দেখামাত্র ভাবনাগুলো একসাথে  হুড়মুড় করে আছড়ে পড়ে রিশানের মাথায়।
***  ***  ***  ***  ***  ***  ***  ***  ***  ***  ***  ***  ***  ***  ***  ***  ***  ***  ***  ***  ***  ***  ***  ***  ***  ***  ***  ***  ***  ***  ***  ***  ***  ***

প্রকাণ্ড একটা মহাকাশযান এগিয়ে চলছে সম্পূর্ণ নতুন এবং অজানা একটি পথে। যাত্রী মাত্র দুজন। একজনের গায়ের রং গভীর নীল। আরেকজনের রং হালকা সবুজ। দুইজন দুই প্রজাতির। যানে সবকিছুরই সুব্যবস্থা আছে। পানি এবং প্রতিষেধক বোঝাই নয়, তবে দুজনের জন্য বেশ কিছু দিন চলে যাবে। কিন্তু সেই বেশ কিছু দিন পর কী হবে এই দুজনের?

যেহেতু তাদের সামনে কোন গন্তব্য নেই, যেহেতু তাদের সামনে শুধুই অন্ধকার শূন্যতা, তাই বেশ কিছু দিন পর তাদের কী হবে, তারা আদৌ বেঁচে থাকবে কিনা সেইসব ভাবনা আমরা আপাতত দূরে সরিয়ে রাখি।

তারা মানুষ নয়, কিন্তু মানুষের চেয়ে নিম্নশ্রেণিরও কিছু নয়। বরং মানুষের চেয়ে তাদের সক্ষমতা বেশি। কারণ তারা নিজ দেহেই খাদ্য উৎপাদন করতে পারে। অথচ তাদেরই মানুষের আজ্ঞাবহ দাস হয়ে থাকতে হয়।

এখন তারা মানুষের তৈরি শৃঙ্খলের বাইরে চলে এসেছে। তারা এখন মানব রাজত্বের বাইরে। এখন কি তাদের আমরা মানব মর্যাদা দিতে পারি? জীবনের শেষ কয়টা দিন অন্তত তারা স্বাধীনতার স্বাদ পাক, মর্যাদার স্বাদ পাক।

 

লেখকঃ

আবদুল্লাহ আল মাসুদ
রেজিঃ ২০১২৩৩৪০০৬
ডিপার্টমেন্টঃ আইপিই
শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়।

6 comments:

  1. জটিল লিখছ বস।

    ReplyDelete
  2. Sabiha Tasneem JesseJanuary 11, 2014 at 12:07 PM

    valo.tobe sei chirayoto shasok-shoshiter concept.

    ReplyDelete
  3. At least আপনার লেখার মত এনিমেশন কপি কইরা দেয় নাই।

    ReplyDelete